খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ন্যক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাংবাদিকদের উপর এ ধরনের হামলা সংবাদপত্রের ¯^াধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি ¯^রূপ| যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তারা আইনের শাসন ও বাক¯^াধীনতার শত্রু| সাংবাদিকরা যদি নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকেন, তবে তা মুক্ত সাংবাদিকতার পথকে সংকুচিত করে দেয়| তিনি হুমায়ুন কবীর বালু, মানিক চন্দ্র সাহা, শেখ বেলাল উদ্দিন ও হারুন অর রশীদ খোকনসহ খুলনায় নিহত সকল সাংবাদিক হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করে বলেন, বিগত দিনে এ সব হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার হলে সন্ত্রাসীরা আজ এমন ন্যাক্কারজনক হামলা করার সাহস পেত না| তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ ও তার দোসররা সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে| তার অংশ হিসেবে খুলনায় সাংবাদিক মতি, টুটুল, আওয়াল ও রানা কবীরের উপর হামলা করেছে| তিনি অবিলম্বে হামলার সাথে জড়িত দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে| একইসঙ্গে, খুলনা মহানগরীতে কর্মরত সকল সাংবাদিকের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান|
এমইউজে খুলনার কোষাধ্যক্ষ ও এস এ টিভির খুলনা বিভাগীয় প্রধান রকিবুল ইসলাম মতিসহ চার সাংবাদিককে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্ত্বদের গুলিবর্ষণের প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন|
এমইউজে খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম নূরের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিকইউনিয়ন- বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন ও খুলনা সংবাদ পত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিল্টন| অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন এমইউজে খুলনার সহ-সভাপতি মো. নূরুজ্জামান, নির্বাহী সদস্য মো. এরশাদ আলী ও কে এম জিয়াউস সাদাত, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য কৌশিক দে, এমইউজে খুলনার সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হিমালয়, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন খুলনা জেলা শাখার সভাপতি এম এ হাসান, সাংবাদিক নেতা কাজী শামীম আহমেদ, কনক রহমান, আহমদ মুসা রঞ্জু, মাকসুদ আলী, সোহেল মাহমুদ, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, কামরুল আহসান, নিয়ামুল হোসেন কচি, শেখ আল এহসান, নূর ইসলাম রকি, এম এ জলিল, শাহজালাল মিলন, প্রবীর বিশ্বাস, সৈয়দ রানা কবীর, সাদ্দাম হোসেন, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম হোসেন, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি, মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক শরিফুল ইসলাম টিপু, খুলনা সদর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন, খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব এডভোকেট বাবুল হাওলাদার, বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান, ¯স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ইশতিয়াক আহমেদ ইস্তি, জাকির ইকবাল বাপ্পী, সজীব তালুকদার, আফসার উদ্দিন মাস্টার, আবু জাফর, সাংবাদিক আবুল হাসান শেখ, স ম গোলাম মোস্তফা, এস এম ইয়াসিন আরাফাত রুমি, আব্দুল্লাহ আল মামুন রুবেল, রবিউল গাজী উজ্জ্বল, এস এম আমিনুল ইসলাম, মোহাম্মদ মিলন, এম এ আজিম, আরাফাত হোসেন অনিক, শেখ ফেরদৌস রহমান, মো. কায়কোবাদ মোল্লা বুলবুল, হাসানুর রহমান তানজির, আজিজুল ইসলাম, রমজান হোসেন জুয়েল, হাবিবুল্লাহ শেখ সাকিল, মো. আব্দুল হালিম, তানভীর ইসলাম প্রান্ত, ওবায়দুর রহমান পলাশ, মোজাহিদুর রহমান, মাসুম বিল্লাহ ইমরান, সেলিম গাজী, মো. এম এ সাদী, মো. শাহ আলম, রাজু হাওলাদার, মেহেদী হাচান, নূর মোহাম্মদ টিটু, আমীর সোহেল, রহমাতুল্লাহ, সোহেল রানা, মিশারুল ইসলাম মনির প্রমুখ| এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন|#
