নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: লাহিরু থিরিমান্নে ও কুমার সাঙ্গাকারার জোড়া শতকে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ উইকেটে বিশাল জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। ইংল্যান্ডের বেধে দেয়া ৩১০ রানের টার্গেটে নিয়ে ব্যাট করতে নেমে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে ৪৭.৩ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে লঙ্কানরা।
দলীয় ১০০ রানের মাথায় একমাত্র উইকেটের পতন হয় লঙ্কানদের। মঈন আলীর বলে মরগ্যানের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন দিলসান। ৫৫ বল থেকে ৪৪ রান সংগ্রহ করেন তিনি।
লাহিরু থিরিমান্নে ১৩৯ ও কুমার সাঙ্গাকারার ১১৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। রবিবার ওয়েলিংটনে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে জো রুটের সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ৩০৯ রানের বড় স্কোর গড়ে ইংল্যান্ড। দলের পক্ষে রুট করেছেন সর্বোচ্চ ১২১ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৯ রান আসে ইয়ান বেলের ব্যাট থেকে।
মঈন আলী ও ইয়ান বেলের ৬২ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গেন সুরাঙ্গা লাকমাল। তার বলে বিদায় নেন আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি পাওয়া মঈন। তিনি সংগ্রহ করেন ১৫ রান। তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভাল করতে পারেননি গ্যারি ব্যাল্যান্স। দলীয় ৭১ রানে তিনি ফেরেন ব্যক্তিগত ৬ রান করে। ব্যাল্যান্সকে ফিরতি ক্যাচে পরিণত করেন তিলকারত্নে দিলশান।
তৃতীয় উইকেটে জো রুটের সঙ্গে ৩০ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন বেল। মাত্র ১ রানের জন্য ফিফটি মিস করেন তিনি। লাকমালের বলে বোল্ড হয়ে বিদায় নেন বেল।
এরপর চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক ইয়ান মরগানের সঙ্গে ৬০ রানের বড় জুটি গড়েন রুট। মরগান ২৭ রান করে বিদায় নিলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন রুট। সেই সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে জেমস টেলরের সঙ্গে ৯৮ রানের আরেকটি বিশাল জুটি গড়েন তিনি। ২৫ রান করে লাসিথ মালিঙ্গার বলে দিলশানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন টেলর।
ইনিংসের ৪৪তম ওভারে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের বলে চার মেরে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি পূরণ করেন রুট। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে কনিষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরির গৌরব অর্জন করেন তিনি। দলীয় ২৬৫ রানে রঙ্গনা হেরাথের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন রুট। ১০৮ বলে ১৪ চার ও ২ ছক্কায় ১২১ রান করেন তিনি।
অার শেষ দিকে জশ বাটলারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে স্কোর ৩০০ রানের কোটা পার করে ইংল্যান্ড। ১৯ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন বাটলার। ৬ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংস। এ ছাড়া ৮ বলে ৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রিস ওয়াকস।
মঈন আলী ও ইয়ান বেলের ৬২ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গেন সুরাঙ্গা লাকমাল। তার বলে বিদায় নেন আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি পাওয়া মঈন। তিনি সংগ্রহ করেন ১৫ রান। তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভাল করতে পারেননি গ্যারি ব্যাল্যান্স। দলীয় ৭১ রানে তিনি ফেরেন ব্যক্তিগত ৬ রান করে। ব্যাল্যান্সকে ফিরতি ক্যাচে পরিণত করেন তিলকারত্নে দিলশান।
তৃতীয় উইকেটে জো রুটের সঙ্গে ৩০ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন বেল। মাত্র ১ রানের জন্য ফিফটি মিস করেন তিনি। লাকমালের বলে বোল্ড হয়ে বিদায় নেন বেল।
এরপর চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক ইয়ান মরগানের সঙ্গে ৬০ রানের বড় জুটি গড়েন রুট। মরগান ২৭ রান করে বিদায় নিলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন রুট। সেই সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে জেমস টেলরের সঙ্গে ৯৮ রানের আরেকটি বিশাল জুটি গড়েন তিনি। ২৫ রান করে লাসিথ মালিঙ্গার বলে দিলশানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন টেলর।
ইনিংসের ৪৪তম ওভারে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের বলে চার মেরে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি পূরণ করেন রুট। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে কনিষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরির গৌরব অর্জন করেন তিনি। দলীয় ২৬৫ রানে রঙ্গনা হেরাথের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন রুট। ১০৮ বলে ১৪ চার ও ২ ছক্কায় ১২১ রান করেন তিনি।
অার শেষ দিকে জশ বাটলারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে স্কোর ৩০০ রানের কোটা পার করে ইংল্যান্ড। ১৯ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন বাটলার। ৬ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংস। এ ছাড়া ৮ বলে ৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রিস ওয়াকস।