আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত ও ১৫ জন আহত Reviewed by Momizat on . নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের আস্তানগর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত ও ১৫ জন আহ নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের আস্তানগর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত ও ১৫ জন আহ Rating: 0
You Are Here: Home » জাতীয় » আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত ও ১৫ জন আহত

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত ও ১৫ জন আহত

নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের আস্তানগর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (২ মে) সন্ধ্যায় এ সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ। নিহতরা হলেন—আস্তানগর গ্রামের বাসিন্দা মৃত আজিজুল হকের ছেলে মতিয়ার রহমান (৪৫), দাউদ মণ্ডলের ছেলে লাল্টু মণ্ডল (৪২), মৃত হোসেন মণ্ডলের ছেলে আবুল কাশেম (৬৫) এবং মৃত আবুল মালিথার ছেলে আব্দুর রহিম মালিথা (৭০)।

প্রথম তিনজন ঝাউদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসানের সমর্থক এবং আব্দুর রহিম মালিথা প্রতিপক্ষ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কেরামত আলীর সমর্থক।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আস্তানগর বাজারে কেরামত আলীর সমর্থক আব্দুর রহিম মালিথার সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে মেহেদী হাসানের সমর্থকরা রহিমের ওপর ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। লঠির আঘাতে রহিম মাটিতে পড়ে যান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে মেহেদীর সমর্থকরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। রহিমকে মারধরের সংবাদ পেয়ে কেরামত আলীর সমর্থকরা মেহেদীর সমর্থকদের ওপর পাল্টা হামলা চালান। এতে মতিয়ার, লাল্টু ও আবুল কাশেম গুরুতর আহত হন। পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৫ জনের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল আলম।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান রতন জানিয়েছেন, আধিপত্য বিস্তার ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কেরামত আলীর সমর্থক ও মেহেদী হাসানের সমর্থকদের মধ্যে আগে থেকেই উত্তেজনা চলছিল। সোমবার দুই পক্ষের সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।

তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে ইউপি চেয়ারম্যান মেহেদী হাসানের মুঠোফোনে কল করলে তিনি তা রিসিভ করেননি।

ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি কেরামত আলী মুঠোফোনে বলেছেন, ‘বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত তার লোকজনদের লেলিয়ে দিয়ে আমার দেহরক্ষী রফিকুলের বাবা রহিম মালিথাকে হত্যা করেছে।’

About The Author

Number of Entries : 3232

Leave a Comment

Scroll to top