নির্বাচনে সাংবাদিকদের মটর সাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার দাবি খুলনার সাংবাদিকদের স্মারকলিপি Reviewed by Momizat on . নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য মটর সাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে খুলনায় কর্মরত সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য মটর সাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে খুলনায় কর্মরত সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে Rating: 0
You Are Here: Home » আঞ্চলিক » নির্বাচনে সাংবাদিকদের মটর সাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার দাবি খুলনার সাংবাদিকদের স্মারকলিপি

নির্বাচনে সাংবাদিকদের মটর সাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার দাবি খুলনার সাংবাদিকদের স্মারকলিপি

নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য মটর সাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে খুলনায় কর্মরত সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে খুলনার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর দেয়া এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।
প্রদত্ত স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক পরিপত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের মটর সাইকেলের অনুকুলে স্টিকার না দেয়ার কথা বলা হয়েছে। যেটি অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। এমনকি নির্বাচনের দু’দিন আগে থেকে পরবর্তী তিনদিন মটর সাইকেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় পেশাদার সাংবাদিকদের নির্বাচনের দায়িত্ব পালন ছাড়াও অফিসিয়াল কাজেও বিঘœ ঘটবে। এজন্য খুলনায় কর্মরত সাংবাদিকরা মটর সাইকেলের জন্য স্টিকার বরাদ্দ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা অথবা বিকল্প পন্থায় প্রকৃত সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য মটর সাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার জন্য দাবি জানানো হয়।
প্রদত্ত স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন, ঢাকা টাইমসের শেখ আবু হাসান, চ্যানেল ২৪এর মামুন রেজা, আজকের তথ্য’র বাপ্পী খান, এসএ টিভি’র রকিবুল ইসলাম মতি, বার্তা ২৪.কম’র মানজারুল ইসলাম, সময়ের খবরের বশির হোসেন, দৈনিক খুলনাঞ্চলের কাজী ফজলে রাব্বী শান্ত, সময়ের খবরের আল মাহমুদ প্রিন্স, ডেইলি ট্রিবিউনের মো: মেহেদী হাসান ও মারুফ মীনা, পূর্বাঞ্চলের আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, এসএ টিভি’র সুনীল দাস, প্রবাহের মোজাম্মেল হক হাওলাদার, সংবাদ প্রতিদিনের ওয়াদে-উজ-জামান বুলু, সমকালের জাহিদুল ইসলাম, দেশ সংযোগের হাবিবুর রহমান, চ্যানেল ২৪এর জাকারিয়া তুষার, খায়রুল আলম, সময়ের খবরের মোহাম্মদ মিলন, আর টিভি’র মনিরুজ্জামান, আজকের তথ্যের হুমায়ুন কবির, জি.টিভি’র লিয়াকত হোসেন, মানব কন্ঠের আলমগীর হান্নান, ঢাকা টাইমসের সোহাগ দেওয়ান, দেশ সংযোগের কবিরুজ্জামান বাপ্পী, বিটিভি’র বিপ্লব সাহা, তথ্যের শেখ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, এশিয়ান টিভি’র বাবুল আকতার, বাংলা নিউজের মাহবুবুর রহমান মুন্না, তথ্যের মো: হাসানুর রহমান তানজির ও বেল্লাল হোসেন সজল, সমকালের আবুল হাসান হিমালয়, এটিএন বাংলার মো: আবু সাঈদ, তথ্যের নুর হাসান জনি, খুলনাঞ্চলের হারুন অর রশিদ, পূর্বাঞ্চলের এইচ এম আলাউদ্দিন, দক্ষিণাঞ্চলের আব্দুল মালেক, অনির্বানের শাহ আলম, প্রতিদিনের সংবাদের মো: শাহ আলম, ইউএনবি’র শেখ দিদারুল আলম, সময়ের খবরের আশরাফুল ইসলাম নুর, আজকের তথ্যের চৌধুরী সাইমুম মোর্শেদ, বাংলাদেশের খবরের এ কে হিরু, প্রথম আলোর মো: সাদ্দাম হোসেন, যুগান্তরের মো: নূর ইসলাম রকি, বৈশাখী টিভির মল্লিক সুধাংশু, বিজয় টিভি’র ফারুক আহমেদ, আমাদের সময়ের এসএম কামাল হোসেন, এনটিভি’র মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, সময়ের খবরের আমিনুল ইসলাম, আজকের তথ্যের এসএম নজরুল ইসলাম, এনটিভি’র মো: আজিজুল ইসলাম, প্রথম আলোর শেখ আল এহসান, পূর্বাঞ্চলের অমিয় কুমার পাল, অনির্বানের তুফান গাইন, নিউজ ২৪এর মনিরুল ইসলাম সাগর, প্রবাহের মাকসুদ আলী, বাসসের শেখ ইলিয়াস আহমেদ, কালবেলার রিতা রানী দাস, নিউজ ২৪এর শামসুজ্জামান শাহীন, চ্যানেল ৯এর শেখ আমিনুর রহমান ও ইয়সীন আরাফাত রুমী, মোহনা টিভি’র মো: মাহফুজুল আলম সুমন, বিডি নিউজ ২৪এর সুবীর কুমার রায়, সংযোগ বাংলাদেশ’র শেখ শান্ত ইসলাম, বনিক বার্তার কাজী শামীম আহমেদ, দৈনিক খবরের তিতাস চক্রবর্তী, ডিবিসি টিভি’র আমিরুল ইসলাম, তথ্যের শেখ জাকারিয়া আলম জিকু, জন্মভূমির মো: সেলিম গাজী, পূর্বাঞ্চলের সৈয়দ তারিকুল ইসলাম, দক্ষিণাঞ্চল প্রতিদিনের শেখ আব্দুল্লাহ, প্রবর্তনের নাজমুল হক পাপ্পু, কালের ককন্ঠের কৌশিকদে, তথ্যের নূর ইসলাম জনি, ফোকাস বাংলার এমএম মিন্টু, প্রবাহের আসাফুর রহমান কাজল ও যুগান্তরের আহমদ মুসা রঞ্জু।
স্মারকলিপি গ্রহণ করে খুলনার রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদদ হেলাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনে কথা বলে দ্রুত সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকে সহজ করার পদক্ষেপ নেবেন।
প্রদত্ত স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ২১ ডিসেম্বর ২০১৮ নির্বাচন কমিশনের যুগ্মসচিব(জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামানের স্বার করা এক নীতিমালায় বলা হয়েছে- ‘আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেকগণ নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত এবং অনুমোদনসূচক স্টিকারযুক্ত যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন। মটর সাইকেল ব্যবহারের জন্য কোনো স্টিকার ইস্যু করা হবে না।’ আবার ‘সাংবাদিক পাশ’ থাকলে তিনি মটর সাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন কি না তেমনটিও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়নি। এতে সাংবাদিকরা মটর সাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন কি না সে বিষয়টি অস্পষ্ট।
নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। কারণ অতীতের কোন নির্বাচনে সাংবাদিকদের জন্য এমন নীতিমালা ছিল না। বরং ‘সাংবাদিক পাশ’ দেয়ার পাশাপাশি যানবাহনের জন্য এবং মটর সাইকেলের জন্য স্টিকার দেয়া হতো। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে সাংবাদিকদেরকে নির্বাচনের সহায়ক শক্তি হিসেবেই বরাবর মনে করা হতো। কিন্তু গত ২১ ডিসেম্বরের এমন নীতিমালা প্রণয়নের ফলে সাংবাদিদের দায়িত্ব পালনে বিঘœ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় যেখানে মটর সাইকেলই একমাত্র বাহন সেসব স্থানে যাতায়াত ও সংবাদ সংগ্রহ করা দূরুহ হয়ে পড়বে।
তাছাড়া ২৮ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে ২ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত মটর সাইকেল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে নির্বাচন ছাড়াও সাংবাদিকদের স্বাভাবিক পেশাগত দায়িত্ব পালনও বিঘিœত হবে বলেও খুলনার সাংবাদিকরা মনে করছে। কেননা প্রতিদিনই দৈনন্দিন এ্যাসাইনমেন্ট পালন এবং অফিসিয়াল দায়িত্ব পালন শেষে বিশেষ করে স্থানীয় পত্রিকায় কর্মরতদের গভীর রাতে বাসায় ফিরতে হয়। তখন যন্ত্রচালিত অন্যান্য যানবাহনও বন্ধ থাকবে এমনকি রিক্সাও পাওয়া দুষ্কর। যে কারনে গণমাধ্যমকর্মীদের অন্য কোন বাহনের অপোয় থাকাও জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

About The Author

Number of Entries : 2750

Leave a Comment

Scroll to top