খুলনায় ইউপি চেয়ারম্যান দুর্নীতি মামলায় সাময়িক বরখাস্ত Reviewed by Momizat on . নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল আত্মসাতের ঘটনায় দায়েরকৃত দুর্নীতি মামলায় খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদের ( নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল আত্মসাতের ঘটনায় দায়েরকৃত দুর্নীতি মামলায় খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদের ( Rating: 0
You Are Here: Home » জাতীয় » খুলনায় ইউপি চেয়ারম্যান দুর্নীতি মামলায় সাময়িক বরখাস্ত

খুলনায় ইউপি চেয়ারম্যান দুর্নীতি মামলায় সাময়িক বরখাস্ত

নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল আত্মসাতের ঘটনায় দায়েরকৃত দুর্নীতি মামলায় খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান গাজী জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া গাজীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ ইউপি-১ অধিশাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়।স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী এ আদেশে স্বাক্ষর করেন। আদেশের অনুলিপি খুলনার জেলা প্রশাসক, দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান জিয়া গাজীকেও দেয়া হয়েছে।

এর আগে ২০১৬ সালের ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের ১৫০ বস্তা চাল আত্মসাতের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান জিয়া গাজীর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায় চার্জশিট গৃহীত হয়েছে। এ কারণে তার দ্বারা ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন নয় মর্মে সরকার মনে করে। এছাড়া উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থি বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩৪ উপধারা (১) অনুযায়ী উক্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া গাজীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে বিতরণের জন্য সেনহাটি ইউনিয়নে মোট ৫২ দশমিক ২২০ মেট্রিক টন (১ হাজার ৪০ বস্তা) চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেনহাটি ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জিয়াউর রহমানের নির্দেশে ফুলতলা উপজেলা খাদ্য গুদাম থেকে ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর এ চাল উত্তোলন করা হয়। ৮ সেপ্টেম্বর এ চাল বিতরণের কথা ছিল। সে অনুযায়ী উপজেলা তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক কর্মকর্তা (ইউনিয়ন ট্যাগ অফিসার) সমীর বিশ্বাস চালের হিসাব দেখতে চাইলে চাল কম থাকার বিষয়টি ফাঁস হয়।

খবর পেয়ে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রহমানের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিষ্ণুপদ পাল ও উপজেলা ত্রাণ কর্মকর্তা (পিআইও) আনিসুর রহমান গোডাউনে হিসাব করে ১৫০ বস্তা চাল কম পান।

এ ঘটনায় তাৎক্ষনিণভাবে ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউন সীলগালা করা হয়। বিষয়টি ফাঁস হওয়ায় তড়িঘড়ি করে বাইরে থেকে চাল এনে ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করলে ইউপি ঘাট থেকে পুলিশ ১৫০ বস্তা চাল জব্দ করে। এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগ এনে ওই দিন রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বাদি হয়ে দিঘলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খুলনার উপ-পরিচালক বরাবর প্রেরণ করা হয়। তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় চেয়ারম্যান জিয়া গাজীকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ৩০ মে দুদক খুলনার সহকারী পরিচালক মাহাতাব উদ্দীন আহমেদ খুলনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত ‘চ’ অঞ্চলে চার্জশিট দাখিল করেন।

About The Author

Number of Entries : 2644

Leave a Comment

Scroll to top