ছিটমহল বিনিময় সংক্রান্তে রাজ্যের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না-মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় Reviewed by Momizat on . নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: ভারতের রাজ্যসভার অধিবেশনে বুধবার ছিটমহল বিনিময় সংক্রান্ত স্থলসীমান্ত চুক্তি বিলটি পেশ হয়েছে। কিন্তু দিল্লির এই পদক্ষেপে বাংলাদেশ সরকার সন্তো নিউজবাংলা২৪ডটনেট:: ভারতের রাজ্যসভার অধিবেশনে বুধবার ছিটমহল বিনিময় সংক্রান্ত স্থলসীমান্ত চুক্তি বিলটি পেশ হয়েছে। কিন্তু দিল্লির এই পদক্ষেপে বাংলাদেশ সরকার সন্তো Rating: 0
You Are Here: Home » আন্তর্জাতিক » ছিটমহল বিনিময় সংক্রান্তে রাজ্যের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না-মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ছিটমহল বিনিময় সংক্রান্তে রাজ্যের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না-মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

mamataনিউজবাংলা২৪ডটনেট:: ভারতের রাজ্যসভার অধিবেশনে বুধবার ছিটমহল বিনিময় সংক্রান্ত স্থলসীমান্ত চুক্তি বিলটি পেশ হয়েছে। কিন্তু দিল্লির এই পদক্ষেপে বাংলাদেশ সরকার সন্তোষ প্রকাশ করলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি ফেসবুকে স্টাটাসে লিখেছেন-‘রাজ্যের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না।’

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা স্থলসীমান্ত চুক্তিটি রাজ্যসভায় পেশ হওয়ায় বিরোধিতায় সরব হন তৃণমূল, অগপসহ বিজেপি, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে ও এডিএমকে সদস্যরাও। তৃণমূল ও অগপ বিলটির রূপরেখা নিয়েই আপত্তি তোলে।অন্য দলগুলোর বক্তব্য ছিল, সংসদে আলোচনা ছাড়া এই ধরনের সংবিধান সংশোধনী বিল সরকার পেশ করতে পারে না।

আলোচনা ছাড়া এই ভাবে স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল পেশ করাকে সরকারের ‘নির্লজ্জ কার্যকলাপ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগেও ছিটমহল বিনিময়ের বিরোধিতা করে মমতা বলেছিলেন, বাংলাদেশকে ১৭ হাজার একর জমি ছেড়ে দিয়ে ৭ হাজার একর জমি পাওয়াটা কোনও যুক্তিতেই মেনে নেয়া যায় না। তিনি  ফেসবুকে আরও বলেন, ‘ই চুক্তি আমরা মানছি না, মানছি না, মানছি না।’

বুধবার বিকাল চারটেয় রাজ্যসভায় বিদেশমন্ত্রী সালমন খুরশিদ প্রথম বার বিলটি পেশ করার সময় বাধা দিতে ওয়েলে নেমে আসেন তৃণমূল ও অগপ সাংসদেরা। রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান পি জে কুরিয়েনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। পনেরো মিনিটের জন্য মুলতুবি করে দেয়া হয় রাজ্যসভা। ওই সময়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন কুরিয়েন। ঢাকাকে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ও সরকারের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি সদস্যদের জানান তিনি।

তার পরেও অবশ্য নিজেদের মত বদলাননি ডেরেক ও’ব্রায়ান, অরুণ জেটলিরা। কিন্তু অধিবেশন ফের শুরু হওয়া মাত্র তুমুল হইচইয়ের মধ্যেই বিলটি পেশ করে দেন খুরশিদ। ডেরেক তখন বলেন, এ ভাবে সংবিধান সংশোধনী বিল এনে সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চাইছে। সিপিএম ও কংগ্রেস বাদে প্রায় সব দল ওই বিলের বিরুদ্ধে। যা দেখে মনে হচ্ছে ওই দু’দল বাংলাদেশের স্বার্থ নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন।

About The Author

Number of Entries : 2616

Leave a Comment

Scroll to top